‘ডিকশনারি’ নিয়ে ওপার বাংলায় প্রশংসিত মোশাররফ করিম

317

আলোকিত অভিনেতা মোশাররফ করিম। যিনি অভিনয়ের জাদুতে দেশের কোটি দর্শকের মন জয় করে নিয়েছেন অনেক আগেই। এবার অভিনয়ের কারিশমা দেখিয়ে মাত করলেন ওপার বাংলা। ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মুক্তি পেয়েছে মোশাররফ করিম অভিনীত ‘ডিকশনারি’।

গেল শুক্রবার ৪০টিরও বেশি সিনেমা হলে চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায়। এখানে মকর ক্রান্তি চট্টোপাধ্যায়ের চরিত্রে অভিনয় করে তুমুল জনপ্রিয়তা পেয়েছেন মোশাররফ করিম। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন ব্রাত্য বসু। মোশাররফ করিম এই প্রথম কলকাতার লোকাল চলচ্চিত্রে অভিনয় করলেন। তার অভিনয়ের ভূয়সী প্রশংসা করেছে ভারতীয় মিডিয়া।

আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে উলেস্নখ করা হয়েছে, এ সিনেমায় নজর কেড়েছেন মকর ক্রান্তির ভূমিকায় মোশাররফ করিম। কলোনিয়াল হ্যাংওভার কাটিয়ে উঠতে না পারা মকরের অর্থনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা, ছেলেকে ইঞ্জিনিয়ার বানানোর মধ্যবিত্ত বাসনা ও ইংরেজি ভাষা বেগতিক হয়েও তা রপ্ত করার আপ্রাণ চেষ্টা কখনো হাসির উদ্রেক করে, কখনো করুণার- সবটাই মোশাররফ ব্যক্ত করেছেন সমান দক্ষতায়।

হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে বলা হয়, বাংলাদেশি অভিনেতা মোশারফ করিম ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। শুধু ভারতীয় মিডিয়াই নয়, মোশাররফ করিমের অভিনয়ের প্রশংসা করেছেন ভারতের শোজিব অঙ্গনের লোকেরাও। সবাই প্রশংসায় ভাসান মোশাররফ করিমকে। তার পারদর্শিতার কথা উলেস্নখ করে নানা জনে নানান মন্তব্য করেন।

বুদ্ধদেব গুহর দুটি গল্প নিয়ে গড়ে উঠেছে ‘ডিকশনারি’ চলচ্চিত্রের কাহিনি। গল্প দুটি হলো ‘বাবা হওয়া’ ও ‘স্বামী হওয়া’। এর চিত্রনাট্য তৈরি করেছেন উজ্জ্বল চ্যাটার্জি। ‘বাবা হওয়া’ গল্পে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছেন মোশারফ করিম এবং পৌলমী বসু। ‘ডিকশনারি’ চলচ্চিত্রে ‘স্বামী হওয়া’ গল্পের মুখ্য তিন চরিত্রে অভিনয় করেছেন- নুসরাত জাহান, আবীর চট্টোপাধ্যায়, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়। মুক্তির আগে সাড়া ফেলে চলচ্চিত্রটি। কলকাতার প্রধান প্রধান রাস্তার গুরুত্বপূর্ণ বিলবোর্ডে শোভা পায় ‘ডিকশনারি’। পোস্টারে ছেয়ে যায় অলিগলি।

অনি/সিনেটিভি