সিটিজেন কেইন : সাদা কালো জীবনের নিখুঁত ছবি

339

অভিষেক ভট্টাচার্য

মুভি জগতে হলিউড বরাবরই সবার উপরের জায়গা দখল করে আছে। মানসম্মত মুভি তৈরিতে হলিউডের তুলনা হয়না। আর এই ধারাবাহিকতাটা তারা বজায় রেখেছে মুভির সাদাকালো যুগ থেকেই। তারই একটা নিখুঁত প্রতিফলন হলো ১৯৪১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘সিটিজেন কেইন’ মুভিটি। কাহিনীর গঠন, মুভির প্রতিটি সংলাপ দেখে মনে হবে যেন একদম সত্যিকার অর্থে এটা কোনো মুভি না, এটা একজন ব্যক্তির বাস্তব জীবনের সব চাওয়া-পাওয়া, দুঃখ-কষ্টের মিলিত সমন্বয়।

প্লট :
বিখ্যাত সংবাদপত্র প্রকাশক ‘চার্লস ফস্টার কেইন’ এর মৃত্যুর পর এক পরিচালক তার জীবনী নিয়ে মুভি তৈরি করার পরিকল্পনা করেন। মৃত্যুর আগে কেইন ‘Rosebud’ নামে একটা শব্দ উচ্চারণ করে মারা যায়। আর এই কথার মানে কি সেটা বের করার জন্য পরিচালক কেইনের সম্পর্কে জানতে তার কাছের মানুষদের কাছে যায়। আর এরপর যেতে হয় ফ্ল্যাশব্যাকে…

মুভির এন্ডিংটা যেমন চমকপ্রদ তেমনি শিক্ষনীয়। মুভিটাতে খুব সুন্দরভাবে তার শৈশব,কৈশর সব তুলে ধরা হয়েছে, কেইনের উত্থান-পতন, ব্যবসায়ী মানসিকতা, রাগ, জেদ সবকিছুই মুভিটাতে দারুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। যারা পুরনো দিনের মুভি দেখতে ভালোবাসেন এই মুভিটা তাদের জন্য মাস্ট ওয়াচ। আর যাদের খুব বেশি পুরনো দিনের মুভি দেখা হয়নি তাদের জন্যও মুভিটা হাইলি রেকমেন্ডেড। কারণ এইরকম অসাধারণ মুভি বর্তমান সময়ে খুব কমই দেখা যায়। কাহিনী, অভিনয়, সংলাপ সবমিলিয়ে মুভিটাকে এককথায় বলা যায় কাল্ট ক্লাসিক।

Citizen Kane (1941)
Genre : Drama|Mystery
Run time : 1h 59m
IMDB : 8.3

অনি/সিনেটিভি