কোরিয়ান সিনেমা ‘টানেল’

227

সমীরন রায়

মি. লি বাড়ি ফিরছিলো মেয়ের জন্মদিনের কেক নিয়ে। তারপর হঠাৎ করেই টানেল ধ্বস নামতে শুরু করে। টানেল দুর্ঘটনায় আটকে পড়ে মি. লি। তিনি মাটির নিচে আটকা পড়েন। তার কাছে ছিলো মেয়ের জন্মদিনের কেক আর ৫০০ মিলি ৫০০মিলি ২ টা পানির বোতল। আর ছিলো একটা মোবাইল ফোন। যেটার মাধ্যমে তিনি উদ্ধারকর্মীদের সাথে যোগাযোগ করছিলেন। কিন্তু হঠাৎ একদিন তার ফোনের ব্যাটারি শেষ হয়ে যায়। এবং মি.লি সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

শ্রমিকরা খনন কাজ প্রায় শেষ করে ফেলেছিলো কিন্তু শেষ সময় জানতে পারে তারা ভুল জায়গায় খনন করছিলো। সবাই যখন নিশ্চিত করেছেন মি.লি বেঁচে নেই তখন তার স্ত্রী উদ্ধার কাজের সমাপ্তি ঘটায়। এবং রেডিও বার্তায় বলেন :

তুমি আর অপেক্ষায় করো না উদ্ধার কাজ এখানেই শেষ। কেউই আসছে না। তুমি হয়তো আমাদের আসার অপেক্ষায় থাকবে। আমি দুঃখিত। কিন্তু তুমি কি বেঁচে আছো? সবাই বলছে তুমি আর বেঁচে নেই। ওরা বলছে তুমি মারা গেছো। কিন্তু তুমি যদি আমার রেডিও বার্তা শুনে থাকো? আমি তোমার কাছে খুব দুঃখিত। তুমি শুধু বেঁচে থাকো।

আচ্ছা শেষ পর্যন্ত কি হয়? উদ্ধার কাজ কি সম্পূর্ণ হয়। মি. লি কি বেঁচে ফিরতে পারেন। আর কি ভাবে বা এতো দিন বেঁচে থাকা সম্ভব। সব উত্তর জানতে মুভিটি দেখতে পারেন বোরিং ফিল করবেন না। মুভির গল্প দর্শককে স্কিনে আটকে রাখবে। যারা দেখেন নি দেখতে পারেন। সত্যিই কোরিয়ান মুভি গুলো অসাধারন।

অনি/সিনেটিভি