তানভীর মোকাম্মেলের ডায়েরী

212

আগস্ট ২৮, ২০১২
ভাদ্র ১৩, ১৪১৯

সুশীলবাবুর সঙ্গে আজ ফোনে কথা হোল বাংলাদেশের বিকল্প সিনেমার উপর বইটার ব্যাপারে। ওঁর আরো কিছু লেখা প্রয়োজন। লেখার ব্যাপারে মোর্শেদ, মুরাদ ও শামীমের সঙ্গে কথা বললাম। আমার পুরনো দু’একটা লেখাও পাঠাতে হচ্ছে।

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ইনস্টিটিউট যে ওঁদের একশ বাইশতম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে “চিত্রা নদীর পারে” ছবিটা দেখাবে সে খবরটি আজ বাংলাদেশের অনেক পত্র-পত্রিকায় এসেছে।

দুপুরে চ্যানেল-নাইন টিভি থেকে আমার একটা সাক্ষাৎকার নিতে এসেছিল। “চিত্রা নদীর পারে” ও “লালসালু” ছবি দু’টির ব্যাপারে কিছু প্রশ্ন করল।

বাংলা একাডেমীর মোবারক ফোন করেছিলেন। ওঁর সম্পাদিত সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্র বিষয়ক পত্রিকায় “লালসালু”-র চিত্রনাট্যটি ছাপার অনুমতি চাইলেন। না করার কিছু নেই। অনুমতি দিয়েছি।

রাজশাহীর যে মেয়েটিকে “জীবনঢুলী”-র “মিত্তির বাড়ীর বউ” চরিত্রটির জন্যে ভেবেছিলাম মেয়েটির বাবা আপত্তি করায় সেই মেয়েটিকে বোধহয় আমরা আর পাচ্ছি না। উত্তমদের বলেছি অন্য কোনো অভিনেত্রী খুঁজতে।

আগস্ট ২৯, ২০১২
ভাদ্র ১৪, ১৪১৯

“১৯৭১” ছবিটার ডিভিডি ছাপব। উত্তম ডিভিডির প্রচ্ছদের একটা ডিজাইন করেছে। এটা খসড়া। আজ ডিজাইনটা নিয়ে বসেছিলাম। দু’একদিনের মধ্যেই ডিজাইনটা চূড়ান্ত করব।

“রেড” ক্যামেরা ভাড়া দেয় এমন একটি ছেলে আজ বাসায় এসেছিল। ছেলেটির নাম জুয়েল। বলল যে অর্থ আমরা এফ-থ্রি ক্যামেরা ভাড়ার জন্যে দিতে যাচ্ছি সেটা দিলেই ওঁরা ওঁদের “রেড” ক্যামেরাটি আমাদেরকে ভাড়া দিতে পারবে। “রেড” ক্যামেরা ফোর-কে ক্যামেরা। আর্থিক সঙ্গতির অভাবেই আমরা টু-কের এফ-থ্রি ক্যামেরার কথা ভেবেছিলাম। এখন ফোর-কের “রেড” পেলে তো ভালই হয়। ছবির দৃশ্যগত মান ভাল হবে। “জীবনঢুলী”-র কাহিনীটি আমার হৃদয়ের এত কাছাকাছি যে এ ছবিটাকে ভালো করার জন্যে সব রকম চেষ্টাই আমি করব।

সন্ধ্যায় উত্তম আরজু, সগীর, রানা আমার মূল সব সহকর্মীরাই বাসায় এসেছিল। “জীবনঢুলী”-র ব্যাপারে আরো কিছু কিছু সিদ্ধান্ত নেয়া হোল। ঠিক হোল সাতই সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) আমরা সারাদিন নৌকায় থাকব। ওদিন চিত্রনাট্যটি আরেকবার খুঁটিয়ে পড়া হবে এবং কোনো অসঙ্গতি থাকলে তা’ ঠিক করা হবে।

অনি/সিনেটিভি