ধরি, নিউটনের তৃতীয় সূত্র

586

টু দ্যা পয়েন্ট

বাচ্চা ধরা যাদুকর
হ্যামিলিওনের বাঁশিওয়ালার সঙ্গে ডাকছি ইঁদুর, পাবলিক এবং সিটি মেয়রকে!
সিটি কর্পোরেশনের রোডে ট্রাফিক আর টপিকের
ঢলাঢলি
স্পর্শের মধ্যে সারকাডিয়ান রিদম ঢুকাতেই
বর্ডার কণ্ঠে উড়াচ্ছিলাম হাইপারসনিক মিসাইল
এবং
ক্ষেপণাস্ত্র
টু দ্যা পয়েন্টে –
আমার বিশ আঙুল ভাঙা মেদিনী – মোহিনী
দুটো মামলা!
থানায় দর্শনার্থী ফৌজদারি কোর্ট
আমার ফটোশুট চলছে
সংবাদ সম্মেলন করছে
লেডি পুলিশ এবং বেডা পুলিশ।
সাংবাদিক ও থানাবাসী জানছে আর জানবে পত্রিকা পাঠক! কতক্ষণ পর – পরদিন।

অধ্যায় নং – এক

বৃদ্ধা আঙুলটি ভেঙ্গে ওয়াড্রবে ঢুকালাম
আয়েশী চাঁদ শহরের ওভারব্রীজে দাঁড়িয়ে একা একা গাড়ির হেডলাইট ছুঁচ্ছে
আত্মিক রাত্রি মনভোলা ঈশ্বরকে সাত রংয়ের চা খেতে দেয়!
ভীষণ ডর নদীর চোখে
উৎক্ষেপণের শব্দে পদার্থ ভাঙ্গনে
ঢেউয়ের জহরীতে উবে ভাসে ছায়া ভরা তারা।

আমিও খাই ঘণ্টায় একটি রং চা
শ্বাসে নিই বাষ্পীয় কুয়াশার কাজল গন্ধ
অপেক্ষার তলে পুড়া ছাই এক মাসের সিগারেটের
যেন মৃত্যুহীন জাগরণ!
ক্ষত্রিয়ের নক্ষত্রগুলো প্রতিসাম্য রাখে জোনাকির উন্মাদ কাউন্টার এট্যাকে
কবিতা পাঠ বন্ধ ঠোঁটের অশুচ মেনে
অদ্ভুতত্ব বুকের ভূতত্ত্ব অ্যাসোসিয়েশনে।

আট মাস কাজ করে গেরস্থালী রক্ষণ করে বাঁচি
ভুল আর ভোট
মেঘ আর ভাটা
রোদ আর ভোঁতা কাচি
গঠন আর অনুপাত দশমিক ভগ্নাংশ
বিবর্তন বিজ্ঞান নির্বাচন ত্রিপুরা মোহনাতে ধ্বংস করি জড় পংক্তি
হাঁচিতে বাঁধা পড়ে
রশ্মিতে বেঁধে পড়ি কমন্স সেন্স
লেসন শেষ করি।

নেশাখোর

নাকে চোখে গাঁজার গন্ধ
দুই ঠোঁটে সিগারেটের ইট ভাটা
দুই হাতে শিল্পচার্যের কৌমার্য পূজো
কপালে এক্সিকিউটিভ চৌমুহনী চাঁদপুরের মোহনার মতো
ঝিম ধরে ঢেউয়ের অন্তরে সওদাগরের ফিরাযাত্রা দেখি।

নেশাচারী ত্রিপাল
রপ্তানি করে পদ্মাবতীর কাশফুল
চৌদিকে রোদেলার সঙ্গে পূরবীর কাটাকুটি
আমি খোঁয়াড়ি গরুর মতো স্লান করি আলগোছে
আত্ম ভরা ডর, গোশতে ঠাসা বিশ আঙুল
নাড়তে পারি না
সাঁতারে বাঁধা মোটা মাথাটাও!

গাঁজাময় ব্রেইনে ঢুকে না সুশীলের ভুলরাঙা গড়
বিদ্যা লগ্নে মৃত্যু আর তাণ্ডবী সূর্যের পলোর চাপে
ধরি, নিউটনের তৃতীয় সূত্র!