ঢালিউডের তিন গুরুত্বপূর্ণ নায়ক

211

ঢালিউডের তিন গুরুত্বপূর্ণ নায়ক সালমান শাহ, মান্না ও শাকিব খান। তাদের সময় ও গুরুত্ব ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সময়কে প্রেজেন্ট করে। সালমান শাহ নব্বই দশকে মাত্র তিন বছরের ক্যারিয়ারে নিজস্ব বেসিক স্টাইল, অভিনয়দক্ষতা, ব্যক্তিত্ব, মানসম্মত ছবি দিয়ে যে অসাধারণত্ব দেখিয়েছিল তা পুরো ঢালিউডে বিরল। তাঁকে দিয়ে নতুন একটা সময়ের শুরু হয়েছিল। সময়টা পুরো ঢালিউড থেকে তাঁকে এককভাবে স্মরণীয় করেছে। তাঁর অকালমৃত্যুর মধ্য দিয়ে একটা সময়ের অবসান হয়েছিল যার সম্ভাবনা ছিল অসীম। মান্নার শুরুটা সালমানের আগে হলেও মূলত ১৯৯৯ সালে ‘আম্মাজান’ মুক্তির পর ক্যারিয়ারের সুবর্ণ সময় চলতে থাকে। মান্নার সাথে ঐ সময়েই বহাল তবিয়তে থাকা অামিন খান, রিয়াজ, ফেরদৌস, শাকিল খান, শাকিব খান-রা কাজ করে যাচ্ছিল তাদের মতো করে। ইন্ডাস্ট্রিতে সালমানের লিডিং রোলের পর তখন মান্নার লিডিং রোল চলছিল ছবির ব্যবসাসফলতা ও জনপ্রিয়তার সাথে। রিয়াজ-দের সময়কে বিল্ড অাপ করতে মান্নাই ছিল প্ল্যাটফর্ম এবং সেটা পর্দার পেছনে নেতৃত্ব-সাহস-মনোবল দিয়ে বিভিন্ন সমস্যায় পাশে দাঁড়িয়ে এভাবে। মান্না একটা ক্রান্তিকালে ইন্ডাস্ট্রিকে সাপোর্ট দিয়েছিল পর্দায় ও পর্দার পেছনে সমানভাবে। ১৯৯৯-তে শাকিব খানের অাগমনের পর নতুন অার একটা সময় শুরু হয়েছিল। ২০০৮-এ মান্নার মৃত্যুর পরে ক্লিনিক্যালি সালমান শাহ-র পরে দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ নায়কটির মৃত্যু হয়েছে যার প্রয়োজন অারো বেশি ছিল। মান্নার মৃত্যুর পর শাকিব খানের ব্রেক হয় নতুন করে। ততদিনে তার সমসাময়িক নায়করা অনিয়মিত হলে শাকিব খান নিয়মিত ছবি করতে থাকে। ইন্ডাস্ট্রিকে সারভাইভ করাতে তার অবদান ছিল। শাকিব খানের সময়টা ৩৫ মিলিমিটার থেকে শুরু হয়ে ডিজিটাল সময়ের বর্তমান পর্যন্ত বিস্তৃত। এটা তার বড় সময়ের একটা অভিজ্ঞতা। দেশীয় চলচ্চিত্রে তিন প্রেক্ষাপটে এই তিন গুরুত্বপূর্ণ নায়ক যার যার গুরুত্ব থেকে আলোচিত হয়ে থাকবে আগামী দিনগুলোতেও।